Latest News

পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Labels Max-Results No.

কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (KCC): সুবিধা, নতুন ঋণসীমা ও আবেদন প্রক্রিয়া

কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা, নতুন ঋণসীমা ও মাত্র ৪% সুদের হার দেখানো ছবি


কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (Kisan Credit Card - KCC) হলো একটি সরকারি উদ্যোগ, যা ভারতের কৃষকদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ও কম সুদের হারে বীজ, সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদির জন্য ঋণ নিতে পারেন। NABARD-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রকল্প ২০২০ সালে আরও ডিজিটাল ও RuPay কার্ড-সংযুক্ত করা হয়েছে।

কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা:

১. স্বল্প সুদের হার
৩ লাখ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণে বেস রেট ৭%, যার উপর সরকার ১.৫% সুদ ভর্তুকি দেয়। সময়মতো ঋণ পরিশোধ করলে আরও ৩% ছাড় মেলে, ফলে কার্যকর সুদের হার দাঁড়ায় মাত্র ৪%।

২. বর্ধিত ঋণসীমা (নতুন)
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ থেকে KCC-এর ফসল ঋণের সীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা হয়েছে, আর মৎস্য ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্যও একই সীমা প্রযোজ্য। জামানত-মুক্ত ঋণের সীমাও প্রতি কৃষকের জন্য ২ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

৩. সুবিধাজনক ঋণ প্রক্রিয়া
ATM বা ব্যাংক অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি টাকা তোলা যায় — বারবার ব্যাংকে যাওয়ার দরকার নেই।

৪. আদায়ের সুবিধা
ফসল কাটার পর ঋণ পরিশোধ করা যায়, যা কৃষকের আয়ের সময়ের সাথে মিলে যায়। ৫ বছর পর্যন্ত রিভলভিং ক্রেডিট সুবিধাও আছে।

৫. বীমা সুবিধা
KCC-র সাথে ফসল বীমা ও ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমা যুক্ত থাকে, যা কৃষকের জীবন, শারীরিক অক্ষমতা ও ফসলহানির ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষা দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঋণ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ১ বছর (গুরুতর ক্ষেত্রে ৫ বছর পর্যন্ত) সুদ মকুবের সুবিধাও রয়েছে।

৬. বহুমুখী ব্যবহার
শুধু ফসল উৎপাদন নয়, গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ, মৌমাছি পালনের মতো সংশ্লিষ্ট কাজেও এই ঋণ ব্যবহার করা যায়।

আবেদন প্রক্রিয়া:

  • নিকটস্থ সরকারি বা প্রাইভেট ব্যাংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
  • জমির দলিল, পরিচয়পত্র (আধার বাধ্যতামূলক) ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।

যোগ্যতা:

  • ভারতীয় কৃষক, জমির মালিক-চাষী, যৌথ ঋণগ্রহীতা, ভাগচাষী, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) ও যৌথ দায়বদ্ধতা গোষ্ঠী (JLG) — সবাই আবেদনযোগ্য।
  • ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাও এই সুবিধা নিতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!