কোনো নথিভুক্ত কৃষকের মৃত্যু হলে, তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারী (ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী বা অন্য আইনগত উত্তরাধিকারী) নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে PM-KISAN প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। তবে এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয় না, উত্তরাধিকারীকে নিজে থেকে আবেদন করে নাম পরিবর্তন করাতে হয়।
প্রয়োজনীয় শর্ত ও নথি
১. মৃত্যু সনদ
মৃত কৃষকের ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
২. উত্তরাধিকার প্রমাণপত্র
পঞ্চায়েত বা পৌরসভা থেকে ইস্যু করা উত্তরাধিকার সনদ বা পারিবারিক পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে, যেখানে উত্তরাধিকারীর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
৩. জমির খতিয়ানে নাম থাকা আবশ্যক
উত্তরাধিকারীর নাম জমির খতিয়ানে না থাকলে এই সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনে আগে জমির নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন করে নিতে হবে।
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আধার লিংক
উত্তরাধিকারীর নিজের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আধার কার্ড থাকতে হবে, এবং তা PM-KISAN স্কিমে আপডেট করাতে হবে।
আবেদনের ধাপ
- নিকটস্থ কৃষি দপ্তর বা ব্লক অফিসে যান
- মৃত কৃষকের ডেথ সার্টিফিকেট ও উত্তরাধিকারীর প্রয়োজনীয় নথি জমা দিন
- পুরনো অ্যাকাউন্টে নাম পরিবর্তনের আবেদন করুন, অথবা প্রয়োজনে নতুন আবেদন করুন
- উত্তরাধিকারীর আধার ও ব্যাংক তথ্য দিন
- pmkisan.gov.in পোর্টালে সংশ্লিষ্ট CSC বা কৃষি দপ্তরের মাধ্যমে ডেটা আপডেট করা হবে
- আধিকারিক যাচাই করে অনুমোদন দিলে পরবর্তী কিস্তি থেকে টাকা আসা শুরু হবে
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
- জমির খতিয়ানে উত্তরাধিকারীর নাম না থাকলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না
- ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য দিলে স্কিম বাতিল হয়ে যেতে পারে, তাই সব নথি সঠিক ও হালনাগাদ রাখা জরুরি
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলে কে আবেদন করবেন?
সাধারণত উত্তরাধিকার সনদে উল্লেখিত সব উত্তরাধিকারীর সম্মতিক্রমে একজনের নামে আবেদন করা হয়। নির্দিষ্ট পদ্ধতি জানতে কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করুন।
জমির নামজারি না থাকলে কী করব?
প্রথমে সংশ্লিষ্ট ভূমি দপ্তরে জমির নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন করান, তারপর PM-KISAN-এর আবেদন করুন।
আবেদনের কতদিনের মধ্যে টাকা আসতে শুরু করে?
নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, যাচাই ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। সব নথি সঠিক থাকলে প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।
বিস্তারিত ও নির্ভুল তথ্যের জন্য pmkisan.gov.in দেখুন অথবা নিকটবর্তী কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করুন।
