Latest News

পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Labels Max-Results No.

স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি: আধুনিক চাষাবাদের পরিবর্তন ও সরকারি ভর্তুকির সুযোগ

স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি (ড্রোন, সেন্সর, IoT) ও কৃষি ড্রোনে সরকারি ভর্তুকির সুযোগ দেখানো ছবি


কৃষিক্ষেত্রে স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধুনিক ও উন্নত চাষাবাদের কয়েকটি ধারণা নিচে তুলে ধরা হলো — যা প্রযুক্তি ও কৃষির সংমিশ্রণ সম্পর্কে ধারণা দেবে।

১. সেন্সর-ভিত্তিক মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা
মাটির আর্দ্রতা, পুষ্টির মাত্রা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সেন্সর বসিয়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যা দিয়ে সঠিক সময়ে জলসেচ ও পুষ্টি সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

২. ড্রোন ব্যবহার করে ফসল পর্যবেক্ষণ
আকাশপথ থেকে ড্রোন দিয়ে ফসলের স্বাস্থ্য ও ক্ষতি দ্রুত চিহ্নিত করে সঠিক সময়ে কীটনাশক প্রয়োগ বা সার দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

৩. স্মার্ট সেচ পদ্ধতি
ড্রিপ ইরিগেশন ও সেন্সরের মাধ্যমে মাটির আর্দ্রতা মেপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেচ দেওয়া হয়, ফলে পানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।

৪. IoT-ভিত্তিক ফসল ব্যবস্থাপনা
স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকে সংযুক্ত ডিভাইসের মাধ্যমে সেচ, সার প্রয়োগ ও পরিবেশগত অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৫. ফসলের ফলন পূর্বাভাস
পূর্বের ডেটা ও আবহাওয়ার তথ্য দিয়ে মেশিন লার্নিং মডেলের মাধ্যমে কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো ফলন দেবে তার পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

৬. স্মার্ট গ্রিনহাউজ নিয়ন্ত্রণ
স্বয়ংক্রিয় সেন্সর দিয়ে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আলো নিয়ন্ত্রণ করে সারা বছর সবজি ও ফুলের উৎপাদন বজায় রাখা যায়।

৭. AI-ভিত্তিক নির্দিষ্ট-লক্ষ্য কীটনাশক প্রয়োগ
সেন্সর বা ড্রোনের মাধ্যমে কীটপতঙ্গ চিহ্নিত করে শুধু আক্রান্ত এলাকায় কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়, যাতে পরিবেশ ও ফসলের ক্ষতি কম হয়।

কৃষি ড্রোনে সরকারি ভর্তুকি (নতুন সংযোজন)

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি মশীনীকরণ উপ-মিশন (SMAM) প্রকল্পের আওতায় কৃষি ড্রোন কেনায় ভর্তুকি দেওয়া হয়:

  • কৃষক উৎপাদক সংস্থা (FPO)-র জন্য ড্রোনের দামের ৭৫% পর্যন্ত ভর্তুকি।
  • কৃষি স্নাতকদের কাস্টম হায়ারিং সেন্টার (CHC) স্থাপনের জন্য ড্রোনের দামের ৫০% (সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা) পর্যন্ত ভর্তুকি।
  • ICAR প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র (KVK) ও রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১০০% ভর্তুকি (সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা)।
  • ২০২৩ সালে অনুমোদিত নমো ড্রোন দিদি প্রকল্পের আওতায় মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকেও ড্রোন দেওয়া হচ্ছে, যা তারা কৃষকদের ভাড়া দিতে পারেন।

এই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও পানির অপচয় রোধ সম্ভব। ভর্তুকির সুযোগ নিতে স্থানীয় কৃষি দপ্তর বা KVK-তে যোগাযোগ করতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!