ক্ষেত মজুর প্রকল্পে কি ফ্রম ফিলাপ করেছেন, তাহলে বিস্তারিত জেনে নিন সব কিছু ক্ষেত মজুর প্রকল্পে কি ফ্রম ফিলাপ করেছেন, তাহলে বিস্তারিত জেনে নিন সব কিছু

Latest News

পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Labels Max-Results No.

ক্ষেত মজুর প্রকল্পে কি ফ্রম ফিলাপ করেছেন, তাহলে বিস্তারিত জেনে নিন সব কিছু




প্রকল্পের উদ্দেশ্য : পশ্চিমবঙ্গ উল্লেখ যোগ্য। এই ক্ষেত্রে রাজ্যের ক্ষেতমজুররা কৃষিকার্যের বিশাল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু এই সমস্ত মজুররা শুধুমাত্র এইটার উপর ভরসা করেই বেঁচে থাকে, তাই রাজ্য সরকার ক্ষেত মজুরদের জীবিকা নিরাপত্তা  দিতে চাই।

প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য : এই প্রকল্পে নথিভুক্ত ভূমিহীন  চাষীরা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দুই কিস্তিতে 2000 টাকা করে মোট ৪০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।

যোগ্যতা: এই প্রকল্পটি পশ্চিমবঙ্গ বাসিন্দাদের জন্য যারা খেতমজুরি করে, যাদের কোন জমি নেই, যারা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেনি বর্গা চাষী হিসাবে নথিভুক্ত নন, শুধুমাত্র অন্যের জমিতে চাষ করে যারা জীবিকা নির্বাহ করে, তারা এই প্রকল্পে আসতে পারবে।

প্রকল্পের অধীন তালিকাভুক্তির পদ্ধতি :

 ক্ষেত মজুরদের কাছ থেকে নথিপত্র ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা যাচাই করবে। এই কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল থাকবে। নতি ভুক্তি করণ শিবিরের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

 প্রয়োনীয় নথি :  ১) আধার  ২) ভোটার        ৩) ব্যাঙ্ক             ৪) ছবি 

 আবেদনকারীর নামে ব্যাংক একাউন্টের পাস বই বা বাতিল চেক।

একাউন্টে আধার সংযোগ,, অপারেটিভ, কে ওয়াইসি, সিবি এস সুবিধা সহ পশ্চিমবঙ্গের হতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি : প্রথমে ব্যক্তিগত তথ্য অর্থাৎ যে ব্যক্তি আবেদন করছে তার ইংরেজি ক্যাপিটেলে নাম লিখতে হবে। তারপর বাসস্থানের ঠিকানা ঠিকঠাক ভাবে ফিলাপ করতে হবে। অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে মোবাইল নম্বর ব্যাংক একাউন্টের সাথে যেন অবশ্যই যুক্ত থাকে। নমিনি আপনি রাখতে পারেন আবার নাও রাখতে পারেন আবেদনকারীর সাথে সম্পর্কটা অবশ্যই লিখতে হবে ওই জায়গায়। আবেদনকারীর স্বাক্ষর অবশ্যই ঠিকঠাক ভাবে ঠিক জায়গাতে করতে হবে তা না হলে মনোনীত আধিকারিকগণ সেইটি  বাতিল করে দিতে পারে। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি অবশ্যই মনে রাখতে হবে যেহেতু, উপভোক্তা নামে কোন জমি নেই তাই আবেদনকারীকে বা আবেদনকারীনিকে স্ব ঘোষণা পত্রে অবশ্যই ঠিকঠাকভাবে ফিলাপ করে স্বাক্ষর করতে হবে, এই জায়গায় যদি ঠিকঠাক ভাবে পূরণ করা না হয়, আবেদনটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

👉Know your Application Status


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!