গুরুত্বপূর্ণ আপডেট (সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই প্রকল্প সম্পর্কে বর্তমানে কোনো নতুন সরকারি নির্দেশিকা (Government Order) সক্রিয় নেই এবং প্রকল্পটি আপাতত অফিসিয়ালি বন্ধ আছে। নিচে প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো সাধারণ জ্ঞানের জন্য — নতুন করে আবেদন বা তালিকাভুক্তি শুরু হলে এই পোস্ট আপডেট করা হবে।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষেতমজুররা কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, কিন্তু তাঁদের নিজস্ব কোনো জমি না থাকায় তাঁরা কৃষক বন্ধুর মতো প্রকল্পের বাইরে থেকে যান। এই ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জীবিকা নিরাপত্তা দেওয়ার লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই আলাদা প্রকল্পটি চালু করেছিল।
প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য
- নথিভুক্ত ভূমিহীন ক্ষেতমজুররা দুই কিস্তিতে ₹২,০০০ করে, মোট বছরে ₹৪,০০০ আর্থিক সহায়তা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতেন
যোগ্যতা
- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে
- খেতমজুরি করেন এমন ব্যক্তি
- নিজের নামে কোনো জমি নেই
- কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেননি
- বর্গা চাষী হিসেবে নথিভুক্ত নন
- শুধুমাত্র অন্যের জমিতে চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন
তালিকাভুক্তির পদ্ধতি (যখন সক্রিয় ছিল)
ক্ষেতমজুরদের নথিপত্র ব্লক কৃষি অধিকর্তা যাচাই করতেন। নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে এবং নথিভুক্তি শিবিরের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হতো।
প্রয়োজনীয় নথি
- আধার কার্ড
- ভোটার কার্ড
- ব্যাংক পাসবুক বা বাতিল চেক (আধার সংযুক্ত, অপারেটিভ, KYC ও CBS সুবিধাসহ পশ্চিমবঙ্গের অ্যাকাউন্ট হতে হতো)
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
আবেদনের সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হতো
- আবেদনকারীর নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল অক্ষরে লিখতে হতো
- বাসস্থানের ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করতে হতো
- মোবাইল নম্বর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকা আবশ্যক ছিল
- নমিনি রাখা ঐচ্ছিক ছিল, রাখলে সম্পর্ক উল্লেখ করতে হতো
- আবেদনকারীর স্বাক্ষর সঠিক জায়গায় না থাকলে আবেদন বাতিল হয়ে যেত
- যেহেতু উপভোক্তার নামে কোনো জমি থাকে না, তাই স্ব-ঘোষণাপত্র সঠিকভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করা আবশ্যক ছিল — এটা ভুল হলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারত
বর্তমান অবস্থা কী
এই মুহূর্তে (সেপ্টেম্বর ২০২৬) এই প্রকল্পের জন্য কোনো সক্রিয় সরকারি নির্দেশিকা নেই এবং নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ আছে। যাঁরা আগে থেকেই নথিভুক্ত আছেন, তাঁদের স্ট্যাটাস সংশ্লিষ্ট পোর্টালে চেক করে দেখতে পারেন। নতুন করে প্রকল্প চালু বা কোনো পরিবর্তন এলে এই পোস্টে তা যত দ্রুত সম্ভব আপডেট করা হবে।
এই ব্লগ কোনো সরকারি ওয়েবসাইট নয়। সর্বশেষ ও নির্ভুল তথ্যের জন্য নিজের এলাকার কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করুন।
