Latest News

পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Labels Max-Results No.

বেগুন গাছের পাতা হলুদ হলে কী করবেন? সম্পূর্ণ পরিচর্যা ও ওষুধের তালিকা ২০২৬

বেগুন গাছের পাতা হলুদ হওয়ার কারণ ও সমাধান
 

সকালবেলা বেগুন খেতে গিয়ে হঠাৎ চোখে পড়ল, গাছের পাতাগুলো কেমন যেন ফ্যাকাশে হলুদ হয়ে গেছে। মনটা একটু খারাপ হয়ে যায়, তাই না? পশ্চিমবঙ্গের অনেক কৃষকের কাছেই বেগুন একটা লাভজনক ফসল, কিন্তু ঠিক এই কারণেই একটু অবহেলা হলে ফলনে বড় ধাক্কা লাগে। ভালো খবর হলো, পাতা হলুদ হওয়ার পেছনের কারণটা ঠিকমতো চিনতে পারলে সমাধান খুব একটা কঠিন নয়। চলুন, একে একে দেখে নিই কী কী কারণে এমনটা হয় আর কীভাবে গাছকে আবার সবুজ করে তোলা যায়।

সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো নাইট্রোজেনের অভাব। লক্ষ্য করবেন, গাছের নিচের দিকের পুরনো পাতাগুলোই আগে হলুদ হয়, আর পুরো গাছটাকে কেমন যেন নেতিয়ে পড়া, দুর্বল দেখায়। এটা অনেকটা গাছের নিজের ভাষায় বলা "আমার খাবার কম পড়ছে"। ইউরিয়া সার প্রয়োগ করলেই কয়েকদিনের মধ্যে গাছ আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে, হয় মাটিতে সরাসরি দিয়ে, নয়তো লঘু দ্রবণ বানিয়ে স্প্রে করে।

জল ব্যবস্থাপনাও একটা বড় কারণ। মজার বিষয় হলো, জল কম দিলেও পাতা হলুদ হয়, আবার বেশি দিলেও একই সমস্যা হয়। বেশি জল জমে থাকলে শিকড় শ্বাস নিতে পারে না, ধীরে ধীরে পচতে শুরু করে, আর তার প্রভাব গিয়ে পড়ে পাতায়, যা হলুদ হয়ে ঝুলে পড়ে। তাই জমিতে জল যেন দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন, আর সেচ দিন নিয়মিত অথচ পরিমিতভাবে।

পাতায় যদি হলুদ বা বাদামি দাগ দেখতে পান, যা পরে শুকিয়ে যাচ্ছে, তাহলে বুঝবেন ছত্রাক হানা দিয়েছে। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় এটা বেশি হয়। আবার পাতার নিচের দিকটা একবার উল্টে দেখুন তো, ছোট ছোট সাদা মাছি বা জাব পোকা লুকিয়ে আছে কিনা। এরা পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে গিয়ে হলুদ হয়ে যায়। উপযুক্ত ছত্রাকনাশক বা কীটনাশক প্রয়োগ করলে এই সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে আসে, বিস্তারিত একটু পরেই বলছি।

আরেকটা একটু অন্যরকম লক্ষণ হলো ম্যাগনেসিয়ামের অভাব। এক্ষেত্রে পাতার শিরাগুলো সবুজ থেকে যায়, কিন্তু বাকি অংশ হলুদ হয়ে পড়ে, দেখতে অনেকটা জালির মতো লাগে। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (এপসম সল্ট) লঘু দ্রবণ স্প্রে করলে এই সমস্যার সমাধান হয়।

শুধু সমস্যা হলে সমাধান খোঁজা নয়, নিয়মিত একটু যত্নেই গাছ সুস্থ থাকে বেশি দিন। প্রতি ১০-১৫ দিন অন্তর একটু জৈব সার দিন, আগাছাগুলো পরিষ্কার রাখুন যাতে গাছ পুষ্টির ভাগ না হারায়। গাছ যদি খুব ঘন হয়ে যায়, কিছু ডাল ছেঁটে দিন, এতে আলো-বাতাস ভালোভাবে ঢোকে। সপ্তাহে একবার নিম তেল স্প্রে করার অভ্যাস রাখলে পোকার উপদ্রব অনেকটাই কমে যায়। আক্রান্ত পাতা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে কেটে ফেলে দিন, নইলে রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ভালো ফলনের ভিত তৈরি হয় শুরুতেই। জমি ভালোভাবে চাষ দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিন, সঙ্গে মিশিয়ে দিন গোবর সার। চারা রোপণের সময় গাছ থেকে গাছের দূরত্ব রাখুন প্রায় ২ ফুট, আর সারি থেকে সারি ৩ ফুট। এতে প্রতিটা গাছ পর্যাপ্ত জায়গা ও আলো পায়, বেড়ে ওঠে সুস্থভাবে।

সারের একটা সাধারণ ধারণা দিলে, বিঘা প্রতি গোবর সার ৮-১০ টন, ইউরিয়া ৮০-১০০ কেজি, টিএসপি ৬০-৭০ কেজি আর পটাশ ৫০-৬০ কেজি ব্যবহার করা হয়। তবে আপনার এলাকার মাটি ও কৃষি দপ্তরের হালনাগাদ সুপারিশ অনুযায়ী এটা একটু কমবেশি হতে পারে।

এবার একটা জরুরি কথা বলে রাখি। রোগ বা পোকা দমনে ওষুধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে যে নামগুলো বলা হবে, সেগুলো সাধারণ দিকনির্দেশনা মাত্র। প্রতিটা ব্র্যান্ডের ওষুধের ঘনত্ব আলাদা হতে পারে, তাই স্প্রে করার আগে প্যাকেটের গায়ে লেখা নির্দেশনাটা একবার পড়ে নেবেন, আর কোনো সন্দেহ থাকলে নিকটবর্তী কৃষি দপ্তর বা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে (KVK) জিজ্ঞেস করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। ছত্রাকজনিত সমস্যায় Mancozeb বা Carbendazim জাতীয় ওষুধ কাজে লাগে, লেবেলে দেওয়া মাত্রা অনুযায়ী প্রয়োগ করে প্রয়োজনে ৭ দিন পর আরেকবার স্প্রে করতে পারেন। পোকার সমস্যায় Imidacloprid বা Acetamiprid ভালো কাজ করে, সকাল বা বিকেলের নরম আলোয় স্প্রে করাই ভালো, কড়া রোদে নয়।

শিকড় পচা বা মাটিবাহিত রোগ দেখা দিলে Copper Oxychloride জাতীয় ওষুধ গোড়ায় ঢেলে দেওয়া হয়। তবে এই পদ্ধতির সঠিক পরিমাণ মাটির ধরন আর গাছের বয়সের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে, তাই এক্ষেত্রে নিজে থেকে আন্দাজে না করে স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। মাঝে মাঝে দেখা যায় শুধু ওষুধে কাজ হয় না, গাছের একটু বাড়তি পুষ্টি দরকার। Magnesium Sulphate জাতীয় মিশ্রণ পাতার হারানো সবুজভাব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে, তবে সঠিক অনুপাত জানতে কৃষি দপ্তরে একবার যোগাযোগ করে নিন।

শেষে কয়েকটা ছোট কিন্তু জরুরি কথা মনে রাখবেন। দুপুরের কড়া রোদে কখনো স্প্রে করবেন না, এতে গাছেরও ক্ষতি হয়, ওষুধও কার্যকর হয় না ঠিকমতো। স্প্রে করার সময় গ্লাভস ও মাস্ক পরে নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কখনো দেবেন না, ভাববেন না "বেশি দিলে তাড়াতাড়ি সারবে", উল্টো ক্ষতি হতে পারে। একই ওষুধ বারবার ব্যবহার না করে মাঝে মাঝে বদলে নিন, নইলে পোকা বা রোগ ওষুধের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে ফেলে। আর বৃষ্টি আসার ঠিক আগে স্প্রে করাটা এড়িয়ে চলুন, বৃষ্টিতে সব ধুয়ে যাবে, পরিশ্রমটাই বৃথা যাবে।

বেগুন চাষ পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের কাছে অত্যন্ত লাভজনক একটি সবজি চাষ। কিন্তু অনেক সময় বেগুন গাছের পাতা হলুদ হয়ে যায়, গাছ শুকিয়ে যায় বা ফলন কমে যায়। সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো ওষুধ ব্যবহার করলে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

বেগুন গাছের পাতা হলুদ হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। আগে কারণ বুঝে ওষুধ দিলে ভালো ফল পাবেন। নিচে সহজভাবে দিলাম—

বেগুন গাছের পাতা হলুদ হওয়ার প্রধান কারণ

১. নাইট্রোজেনের অভাব

লক্ষণ:

  • নিচের পুরনো পাতা আগে হলুদ হয়
  • গাছ দুর্বল লাগে

সমাধান:

  • ইউরিয়া ১ লিটার জলে ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করুন
  • অথবা মাটিতে সামান্য ইউরিয়া দিন

২. জল বেশি বা কম হওয়া

লক্ষণ:

  • পাতা হলুদ ও ঝুলে যায়
  • শিকড় পচতে পারে

সমাধান:

  • জমিতে জল যেন না দাঁড়ায়
  • নিয়মিত কিন্তু পরিমাণমতো সেচ দিন

৩. ছত্রাকজনিত রোগ (ফাংগাস)

লক্ষণ:

  • পাতায় হলুদ দাগ
  • পরে শুকিয়ে যায়

ওষুধ:

  • Mancozeb ২ গ্রাম প্রতি লিটার জলে মিশিয়ে স্প্রে
  • ৭ দিন পর আবার স্প্রে করুন

৪. সাদা মাছি বা জাব পোকার আক্রমণ

লক্ষণ:

  • পাতার নিচে ছোট পোকা
  • পাতা কুঁকড়ে হলুদ হয়

ওষুধ:

  • Imidacloprid ০.৫ মি.লি. প্রতি লিটার জলে স্প্রে
  • সকাল বা বিকেলে স্প্রে করুন

৫. ম্যাগনেসিয়ামের অভাব

লক্ষণ:

  • পাতার শিরা সবুজ থাকে, বাকি অংশ হলুদ হয়

সমাধান:

  • ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (এপসম সল্ট) ৫ গ্রাম প্রতি লিটার জলে স্প্রে

ভালো ফলনের জন্য পরিচর্যা

  • প্রতি ১০–১৫ দিনে জৈব সার দিন
  • আগাছা পরিষ্কার রাখুন
  • বেশি ঘন গাছ হলে কিছু ডাল ছাঁটাই করুন
  • সপ্তাহে ১ বার নিম তেল স্প্রে করলে পোকা কম হবে
  • বেগুন গাছের পাতা হলুদ হওয়ার কারণ

    ১. সারের অভাব

    বিশেষ করে নাইট্রোজেন কম হলে পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়।

    সমাধান

    • ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন
    • জৈব সার ব্যবহার করুন

    ২. অতিরিক্ত জল

    জমিতে জল জমে থাকলে শিকড় পচে যায় এবং পাতা হলুদ হয়।

    সমাধান

    • জমির জলনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করুন
    • পরিমাণমতো সেচ দিন

    ৩. পোকামাকড়ের আক্রমণ

    সাদা মাছি, জাব পোকা ইত্যাদি পাতার রস শুষে নেয়।

    ব্যবহারযোগ্য ওষুধ

    • Imidacloprid
    • Thiamethoxam

    ৪. ছত্রাক রোগ

    পাতায় হলুদ বা বাদামি দাগ দেখা যায়।

    ব্যবহারযোগ্য ওষুধ

    • Mancozeb
    • Carbendazim

    বেগুন গাছের সম্পূর্ণ পরিচর্যা

    জমি প্রস্তুতি

    • ভালোভাবে চাষ দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করুন
    • গোবর সার মিশিয়ে নিন

    চারা রোপণ

    • গাছ থেকে গাছ ২ ফুট দূরত্ব রাখুন
    • সারি থেকে সারি ৩ ফুট রাখুন

    বেগুন গাছের সার তালিকা

    সারের নামপরিমাণ
    গোবর সার৮-১০ টন
    ইউরিয়া৮০-১০০ কেজি
    টিএসপি৬০-৭০ কেজি
    পটাশ৫০-৬০ কেজি

    পোকা দমনের উপায়

    ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা

    লক্ষণ

    • ফলের ভিতরে ছিদ্র
    • ডগা শুকিয়ে যায়

    ওষুধ

    • Emamectin Benzoate স্প্রে করুন

    ফলন বাড়ানোর টিপস

    • প্রতি ১৫ দিনে জৈব তরল সার দিন
    • নিম তেল স্প্রে করুন
    • আক্রান্ত পাতা কেটে ফেলুন
    • সকালে সেচ দিন

অত্যাধিক হারে বেগুন গাছ হলুদ হয়ে গেলে এই পেস্টিসাইড গুলি দিলে ভালো সুফল পাওয়া যায়

Pesticide 👉 Spray - Carbendazim 50%

  • ১ গ্রাম + ১ লিটার জল
  • ৫–৭ দিন পর আবার স্প্রে করুন 
  • সতর্কতা
    • দুপুরের রোদে স্প্রে করবেন না
    • গ্লাভস/মাস্ক ব্যবহার করুন
    • অতিরিক্ত ডোজ দেবেন না
    • একই ওষুধ বারবার ব্যবহার না করে মাঝে অন্য ফাঙ্গিসাইড পরিবর্তন করুন

     +👉 Acetamiprid

  • Acetamiprid 20 SP → ০.২৫ গ্রাম থেকে ০.৫ গ্রাম প্রতি লিটার জল
    অথবা
  • ৪–৮ গ্রাম প্রতি ১৫ লিটার স্প্রে পাম্পে
  • 👉sticker5 ml

    👉  Heavy basal drenching with Copper Oxychloride 50%

    ২.৫–৩ গ্রাম Copper Oxychloride 50% প্রতি লিটার জল

    Drenching পদ্ধতি

    • প্রতিটি গাছের গোড়ায় ২০০–৫০০ ml ওষুধ মেশানো জল ঢালুন
    • বড় গাছে আরও বেশি লাগতে পারে
    • মাটি ভিজে যাওয়ার মতো করে দিতে হবে

    কখন ব্যবহার করবেন

    • রোগ শুরু হলে
    • অতিরিক্ত বৃষ্টির পরে
    • শিকড় পচা দেখা দিলে

    সতর্কতা

    • অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাটিতে কপার জমে যেতে পারে
    • রোদে নয়, সকালে বা বিকেলে ব্যবহার করুন
    • অন্যান্য শক্তিশালী ক্ষারীয় ওষুধের সাথে একসাথে মেশাবেন না

    👉  After 3-4 days of 1st spray - Magnesium Sulphate@60 + 13:0:45 @75 gm + sticker @5 ml

      এই মিশ্রণটি সাধারণত গাছের বৃদ্ধি, পাতার সবুজভাব, ফুল ও ফলের উন্নতির জন্য ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে বেগুন, টমেটো, লঙ্কা, শসা ইত্যাদিতে ভালো কাজ করে।

    মিশ্রণের অর্থ

    • Magnesium Sulphate @60 gm
      → পাতার হলুদভাব কমায়, ক্লোরোফিল বাড়ায়
    • 13:0:45 @75 gm
      → এটি Potassium Nitrate সার
      → ফুল, ফল ও গাছের শক্তি বাড়ায়
    • Sticker @5 ml
      → স্প্রে পাতায় ভালোভাবে আটকে রাখতে সাহায্য করে

    সাধারণ ব্যবহার পদ্ধতি

    এই ডোজ সাধারণত:

    • ১৫ লিটার জল পাম্পের জন্য ব্যবহার করা হয়

    কীভাবে মেশাবেন

    1. অল্প জল Magnesium Sulphate গুলে নিন
    2. এরপর 13:0:45 মেশান
    3. শেষে Sticker দিন
    4. ভালোভাবে নেড়ে স্প্রে করুন

    কখন স্প্রে করবেন

    • প্রথম স্প্রের ৩–৪ দিন পরে
    • সকালে বা বিকেলে
    • বৃষ্টি আসার আগে নয়

    উপকারিতা

    • পাতার হলুদভাব কমে
    • গাছ দ্রুত সবুজ হয়
    • ফুল ও ফল ঝরা কমে
    • ফলের সাইজ ও চকচকে ভাব বাড়ে

    সতর্কতা

    • অতিরিক্ত ডোজ দেবেন না
    • খুব গরমে স্প্রে করবেন না
    • Copper জাতীয় ওষুধের সাথে একসাথে না মেশানো ভালো



    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    0 মন্তব্যসমূহ
    * Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
    পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা এই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁদের টাকা সময়মতো পৌঁছানোর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে

    #buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

    Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
    Ok, Go it!